একদিনের হরতাল ও দুই দফায় ৫ দিনের অবরোধ কর্মসূচি শেষে বুধবার (৮ নভেম্বর) থেকে আবারো শুরু হয়েছে বিএনপির ৪৮ ঘণ্টার অবরোধ। সরকার পতনের এক দফা দাবি আদায়ে আরও হার্ডলাইনে যেতে চায় দলটি।
হরতাল-অবরোধের বাইরে আর কী কর্মসূচি দেয়া যায়, তা নিয়েও সমমনা দলগুলোর সঙ্গে চলছে আলোচনা। গত কয়েকদিনের কর্মসূচি সফল বিবেচনায় তফসিল ঘোষণার আগ পর্যন্ত অবরোধেই ভরসা রাখছে বিএনপি। এ কর্মসূচি শুরুর আগে মঙ্গলবার (৭ নভেম্বর) রাত ১১টার দিকে রাজধানীর মালিবাগে আনসার ক্যাম্পের পাশে পার্কিংয়ে থাকা একটি বাসে আগুন দিয়েছে অবরোধ সমর্থনকারীরা।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আনসার ক্যাম্পের উল্টোদিকে বাহন পরিবহনের বেশকিছু বাস সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করানো ছিল। রাত ১১টায় হঠাৎ দুই শিশু ‘আগুন আগুন’ বলে চিৎকার করলে তারা দৌড়ে বালু দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। আগুন দেয়ার সময় বাসটিতে কেউ ছিল না বলে জানিয়েছেন স্টাফরা। বাসটির সিট ও জানালার কাচ ক্ষতিগ্রস্ত হলেও ইঞ্জিন অক্ষত আছে।
তৃতীয় ধাপে এ অবরোধ কর্মসূচির আগে সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরতে অনলাইনে ব্রিফিং করেছেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। সব বাধা উপেক্ষা করে কর্মসূচি সফল করতে নেতাকর্মীদের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, কারাবন্দি, শয্যাশায়ী এবং মৃত ব্যক্তিরাও সরকারের মামলা থেকে রেহাই পাচ্ছে না। এরই মধ্যে দমন-পীড়নের সব মাত্রা ছাড়িয়েছে।
এদিকে, ২৮ অক্টোবর প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলাসহ নাশকতার দুই মামলায় তিন সপ্তাহের আগাম জামিন পেয়েছেন বিএনপির তিন আইনজীবী। জামিন শুনানিতে উচ্চ আদালত বলেন, প্রধান বিচারপতির বাসায় হামলা বিচারবিভাগের ওপর আঘাত।
সোমবার (৬ নভেম্বর) এক ভার্চ্যুয়াল সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী তৃতীয় দফায় ৪৮ ঘণ্টার অবরোধ কর্মসূচি ঘোষণা দেন।
