ওয়ানডে বিশ্বকাপ শুরুর আগে এই দলকে কেউ হয়তো ফেবারিটের তালিকায় রাখেননি। কিন্তু বিশ্বকাপে প্রোটিয়ারা যেভাবে পারফরম্যান্স করছে, তাতে চালকের আসন এখন দক্ষিণ আফ্রিকার দখলে। এটি বললে হয়তো অত্যুক্তি করা হবে না। আর তার প্রমাণ আরও একবার পাওয়া গেল ইংল্যান্ডের বিপক্ষে। শনিবার (২১ অক্টোবর) ভারত বিশ্বকাপের ২০তম ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথমে ব্যাট করে ৭ উইকেট হারিয়ে ৩৯৯ রান সংগ্রহ করে দক্ষিণ আফ্রিকা। জবাবে ২২ ওভারে ১৭০ রান তুলতেই শেষ হয় ইংলিশদের ইনিংস। তাতে দক্ষিণ আফ্রিকা ২২৯ রানের বড় জয় পায়।
নিজেদের প্রথম ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৪২৮ রানের রেকর্ড সংগ্রহ গড়ে জিতেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। পরের ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৩১১ রান তুলে জয়। এবার ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৩৯৯ রানের সংগ্রহ। জয় এলো ইংলিশদের বিপক্ষেও, সেটিও আবার দাপটের সঙ্গে জয়।
এই ম্যাচটির আগে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ২০৭ রানে অলআউট হয়েছিল প্রোটিয়ারা। ওই ম্যাচটি বাদে ছয় ম্যাচে যে দাপট দেখিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা, তাতে চলতি বিশ্বকাপে দলটিকে চালকের আসনে মনে করাই যায়। এ দিকে প্রতিপক্ষের এমন পারফরম্যান্স দেখে শক্ত পরিকল্পনা করে মাঠে নামতে হবে বাংলাদেশ, পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড, ভারত ও আফগানিস্তানকে। সেটি না হলে শ্রীলঙ্কা, অস্ট্রেলিয়া এবং ইংল্যান্ডের মতোই পরণতি হতে পারে।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচটিতে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে টপলির প্রথম বলে বাউন্ডারি হাঁকানোর পরে দ্বিতীয় বলে কট বিহাইন্ড হন কুইন্টন ডি কক। তবে দ্বিতীয় উইকেটে আধিপত্য করেন রেজা হেনড্রিকস ও রসি ফন ডার ডুসেন। দুজনের জুটিতে আসে ১২১ রান। ৬১ বলে ৬০ রান করে রশিদের বলে জনি বেয়ারস্টোর হাতে ধরা পড়েন ডুসেন। রেজা আউট হন ৭৫ বলে ৯ চার ও ৩ ছক্কায় ৮৫ রানের ইনিংস খেলে।
এরপর ক্রিজে নেমে ছন্দ ধরে রাখেন অধিনায়ক মারক্রাম ও হেনরিখ ক্লাসেন। দলীয় ২৩৩ রানে ৪২ রানে ইনিংস খেলে সাজঘরে ফেরেন মারক্রাম। এরপর ক্রিজে নেমে ক্লাসেনকে সঙ্গ দিতে ব্যর্থ হন ডেভিড মিলার। ৬ বলে মাত্র ৫ রান করেই টপলির শিকার হন তিনি।
